স্থাপিত ২৭ নভেম্বর, ২০০৮
সুস্থ-সংস্কৃতি, নির্মল-চিন্তা ও মননশীল প্রজন্ম গঠনের অভিযাত্রায় জামিয়া ইসলামিয়া হোসাইনিয়া গহরপুরের পরশরেণু থেকে জন্ম নেওয়া একটি দীপ্তিময় কাফেলা।
প্রতিষ্ঠাকাল
আলোকিত পথচলা
নিয়মিত বিভাগীয় আয়োজন
বক্তৃতা প্রতিযোগিতা
যার শেকড়ে মিশে আছে উপমহাদেশের প্রখ্যাত শায়খুল হাদিস আল্লামা নূরউদ্দীন আহমদ গহরপুরী রাহ.-এর নামের সুবাস।
হাফেজ মাওলানা মুসলেহুদ্দীন আহমদ গহরপুরীর সুদূরপ্রসারী চিন্তা ও স্বপ্নময় উদ্যোগে ২৭ নভেম্বর ২০০৮ সালে আন-নূরের যাত্রা শুরু হয়। জামিয়ার স্নেহচ্ছায়ায় বেড়ে ওঠা আন-নূর আজ বিস্তৃত হয়েছে বহুমাত্রিক সুস্থ সাংস্কৃতিক ও সাহিত্যচর্চার এক সমৃদ্ধ অঙ্গনে।
প্রায় দুই দশকের অভিযাত্রায় আন-নূর শুধু একটি সংগঠন হিসেবেই নয়, বরং একটি আদর্শ, একটি সংস্কৃতি এবং একটি আলোকিত আন্দোলন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।
প্রতিটি আয়োজনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ইলম ও আখলাকের পরিচর্যা, শুদ্ধ ভাষাচর্চা এবং সময়ের আয়নায় সমুজ্জ্বল, চিন্তাশীল ও প্রজ্ঞাবান এক প্রজন্ম গঠন।
নিয়মিত মাসিক বক্তৃতাপর্ব থেকে বার্ষিক প্রতিযোগিতা — শিক্ষার্থীরা অর্জন করে আত্মবিশ্বাস, যুক্তিবোধ ও উপস্থাপনার দক্ষতা।
যুক্তিনির্ভর চিন্তা, ভিন্নমতকে সম্মান করার মানসিকতা ও শালীন আলোচনার সংস্কৃতি গড়ে তোলার বাস্তব কর্মশালা।
কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ, আবৃত্তি ও সাহিত্য-আলোচনার মধ্য দিয়ে বিকশিত হয় সৃজনশীলতা ও পরিশীলিত হয় ভাষাবোধ।
ইতিহাস, সাহিত্য, ইসলামি জ্ঞান, ভাষা ও দর্শনে অধ্যয়নের সুযোগ — যেখান থেকে জন্ম নেয় নতুন চিন্তা ও গবেষণা।
হামদ, নাত, ইসলামি সঙ্গীত ও আবৃত্তির সুরলহরিতে বিকশিত হয় শিল্পবোধ, নান্দনিকতা ও আত্মপ্রকাশের দক্ষতা।
জাতীয় প্রতিযোগিতা ও ২ দিনব্যাপী বার্ষিক আয়োজন — বছরজুড়ে বাছাই হওয়া প্রতিযোগীরা মঞ্চস্থ হন হাজারো দর্শকের সামনে।
“পৃথিবী একদিন আরও গভীরভাবে জানবে, অনুভব করবে এবং স্বীকার করবে — আন-নূরের বিকল্প শুধুই আন-নূর।”— আন-নূর ছাত্রকাফেলার অভিযাত্রা থেকে
জামিয়া ইসলামিয়া হোসাইনিয়া গহরপুরের প্রতিটি মেধাবী শিক্ষার্থীর জন্য খোলা রয়েছে বক্তৃতা, বিতর্ক, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক আয়োজনের দুয়ার।
ওয়েবসাইটের রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলমান রয়েছে। সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। আমাদের সঙ্গে থাকার জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ। খুব শিগগিরই আমরা আবার সম্পূর্ণ সেবা নিয়ে ফিরে আসব।
সুস্থ-সংস্কৃতি, নির্মল-চিন্তা ও মননশীল প্রজন্ম গঠনের অভিযাত্রায় জামিয়া ইসলামিয়া হোসাইনিয়া গহরপুরের পরশরেণু থেকে জন্ম নেওয়া একটি দীপ্তিময় কাফেলা।
যার শেকড়ে মিশে আছে উপমহাদেশের প্রখ্যাত শায়খুল হাদিস আল্লামা নূরউদ্দীন আহমদ গহরপুরী রাহ.-এর নামের সুবাস।
হাফেজ মাওলানা মুসলেহুদ্দীন আহমদ গহরপুরীর সুদূরপ্রসারী চিন্তা ও স্বপ্নময় উদ্যোগে ২৭ নভেম্বর ২০০৮ সালে আন-নূরের যাত্রা শুরু হয়। জামিয়ার স্নেহচ্ছায়ায় বেড়ে ওঠা আন-নূর আজ বিস্তৃত হয়েছে বহুমাত্রিক সুস্থ সাংস্কৃতিক ও সাহিত্যচর্চার এক সমৃদ্ধ অঙ্গনে।
প্রায় দুই দশকের অভিযাত্রায় আন-নূর শুধু একটি সংগঠন হিসেবেই নয়, বরং একটি আদর্শ, একটি সংস্কৃতি এবং একটি আলোকিত আন্দোলন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।
প্রতিটি আয়োজনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ইলম ও আখলাকের পরিচর্যা, শুদ্ধ ভাষাচর্চা এবং সময়ের আয়নায় সমুজ্জ্বল, চিন্তাশীল ও প্রজ্ঞাবান এক প্রজন্ম গঠন।
নিয়মিত মাসিক বক্তৃতাপর্ব থেকে বহুল প্রতীক্ষিত বার্ষিক প্রতিযোগিতা পর্যন্ত — শিক্ষার্থীরা অর্জন করে আত্মবিশ্বাস, যুক্তিবোধ ও উপস্থাপনার দক্ষতা।
যুক্তিনির্ভর চিন্তা, সুস্থধারার ভিন্নমতকে সম্মান করার মানসিকতা ও শালীন আলোচনার সংস্কৃতি গড়ে তোলার একটি বাস্তব কর্মশালা।
কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ, আবৃত্তি ও সাহিত্য-আলোচনার মধ্য দিয়ে বিকশিত হয় সৃজনশীলতা, পরিশীলিত হয় ভাষাবোধ, সমৃদ্ধ হয় মনন-মেধা।
পাঠ্যবইয়ের গণ্ডি পেরিয়ে ইতিহাস, সাহিত্য, ইসলামি জ্ঞান, ভাষা, দর্শন ও সমসাময়িক বিষয়ে অধ্যয়নের সুযোগ — যেখান থেকে জন্ম নেয় নতুন চিন্তা ও গবেষণা।
হামদ, নাত, ইসলামি সঙ্গীত ও আবৃত্তির সুরলহরিতে বিকশিত হয় শিল্পবোধ, নান্দনিকতা ও আত্মপ্রকাশের দক্ষতা।
এক ও দুই দিনব্যাপী জাতীয় বিতুল ফুসহান প্রতিযোগিতা ও কেন্দ্রীয় সম্মেলন — যেখানে বছরজুড়ে বাছাই হওয়া প্রতিযোগীরা মঞ্চস্থ হন হাজারো দর্শকের সামনে।
﷽
“পৃথিবী একদিন আরও গভীরভাবে জানবে, অনুভব করবে এবং স্বীকার করবে — আন-নূরের বিকল্প শুধুই আন-নূর।”— আন-নূর ছাত্রকাফেলার অভিযাত্রা থেকে
জামিয়া ইসলামিয়া হোসাইনিয়া গহরপুরের প্রতিটি মেধাবী শিক্ষার্থীর জন্য খোলা রয়েছে বক্তৃতা, বিতর্ক, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক আয়োজনের দুয়ার।
যোগাযোগ করুন →আন-নূর ছাত্রকাফেলা is proudly powered by WordPress